ভুয়া খবর ও মিডিয়া সেক্টরে অস্থিরতা
Posted 16 hours ago
📈 ভুয়া খবর — কি পর্যায়ে ও কত?
Rumor Scanner (বাংলাদেশের একটি ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান) ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে (জানু–মার্চ) মোট ৮৩৭টি মিথ্যা/বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করেছে — যা ২০২৪ সালের শেষত্রৈমাসের তুলনায় ২১ % বেশি।
২০২৫ সালের মার্চ alone-তে Rumor Scanner ২৯৮টি ভুয়া তথ্য চিহ্নিত করেছে।
২০২৪ সালে মোট ২,৯১৯টি ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য (false claims) পাওয়া গিয়েছিল — যা ২০২৩ সালের (≈১,৯১৫) তুলনায় প্রায় ৫২ % বৃদ্ধি।
🔎 ভুয়া খবরের ধরন ও মাধ্যম
ভুয়া তথ্যের মধ্যে ছিল: টার্কশুক (text-based), ছবি (image-based distortions), এবং ভিডিও-ভিত্তিক বিভ্রান্তি (video-based misinformation)।
২০২৫ সালের মার্চে, ১৪৩ টি ঘটনা ছিল ভিডিও-ভিত্তিক; ১১০ টি ছিল তথ্য-ভুল; এবং ৪৫ টি ছিল ছবি-ভিত্তিক।
সবচেয়ে বেশি ভুয়া খবর ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে — বিশেষ করে Facebook-এ (সর্বাধিক), এছাড়া X (পুরানো Twitter), YouTube, TikTok, Instagram ইত্যাদিতেও।
শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয় — কখনো কখনো স্থানীয় বা বিদেশি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম, লোগো, ফর্ম্যাট ব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো হয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-রিপোর্টে ৩২টি মিডিয়া (স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক) মিথ্যা/বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য কাজে এসেছে।
🎯 লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
বেশিরভাগ ভুয়া তথ্য ছিল রাজনৈতিক প্রচার বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ২০২৫ সালের প্রথম কোয়ার্টারে “রাজনৈতিক বিষয়ে” ভুয়া খবর ছিল প্রায় ৪১ %।
“জাতীয় ইস্যু”, “ধর্মীয় ইস্যু”, “কমিউনাল” বিষয়ও প্রায় নিয়মিত ভুয়া/দুর্নির্দিষ্ট তথ্যের লক্ষ্য।
বিদেশি মিডিয়া এবং বিদেশ-বেসরকারি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে — যার মধ্যে অনেক সময় communal বা রাজনীতি-ভিত্তিক ভুল তথ্য লক্ষ্য।
📰 মিডিয়া সেক্টরে অস্থিরতা — কি ঘটছে
ভুয়া খবরের পাশাপাশি, সাংবাদিকতা ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানেও গত কিছু সময় ধরেই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে:
২০২৫ সালের শুরু থেকে, ৩০টিরও বেশি মিডিয়া সংস্থায় শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব (chief editors, management, top positions) বদল হয়েছে — ১৬টি টিভি, ১১টি দৈনিক পত্রিকা ও ২টি অনলাইন সংবাদপোর্টালসহ।
একই সময়, প্রায় ১৫০ জন টেলিভিশন সাংবাদিক তাদের চাকরি হারিয়েছে। অনেক সাংবাদিক পত্রিকার উপ-সম্পাদক, সম্পাদক, প্রতিবেদক ইত্যাদি।
এই পরিবর্তন ও চাকরি হারানোর প্রেক্ষিতে, সাংবাদিকরা অনিশ্চয়তায় — অনেকেই চাকরি ছাড়ছেন, বা বিদেশে যাচ্ছেন।
কিছু ক্ষেত্রে “অসঙ্গতি, নিরাপত্তাহীনতা, হয়রানি, হয়রানির ভয়ে ভয়, আত্ম-সদয়তা” বলেও স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
⚠️ কেন এটা বড় সমস্যা
ভুয়া খবর শিশু, রূপকথা বা গুজব নয় — রাজনৈতিক, সামাজিক এবং জাতিগত বিভাজন তৈরি করা, মানুষের মন অবস্থান প্রভাবিত করা, ভুল বোঝাবুঝি, ভয় বা সংকটে ফেলা — এর উদ্দেশ্য। এটি গণতন্ত্র, সামাজিক স্থিরতা, দৃষ্টিকোণ এবং সত্য-তার প্রতি আস্থা ক্ষয় করতে পারে।
মিডিয়া যদি ভয়, উত্থান-পতন, চাকরি-হুমকি, সেলেকশন বা সেন্সরশিপ/নিয়ন্ত্রণের কারণে সৎ সংবাদ দিতে না পারে — তাহলে জনগণের কাছে “নির্ভরযোগ্য সংবাদ” পাওয়া কঠিন হয়। ফলে তথ্যের ঘাটতি এবং ভুল বিশ্বাস আরও বাড়ে।
সাংবাদিকদের চাকরি হারানো বা ভয় বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এটি ভবিষ্যতে investigative journalism, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ সংবাদ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।
Rumor Scanner (বাংলাদেশের একটি ফ্যাক্ট-চেকিং প্রতিষ্ঠান) ২০২৫ সালের প্রথম তিন মাসে (জানু–মার্চ) মোট ৮৩৭টি মিথ্যা/বিভ্রান্তিকর তথ্য শনাক্ত করেছে — যা ২০২৪ সালের শেষত্রৈমাসের তুলনায় ২১ % বেশি।
২০২৫ সালের মার্চ alone-তে Rumor Scanner ২৯৮টি ভুয়া তথ্য চিহ্নিত করেছে।
২০২৪ সালে মোট ২,৯১৯টি ভুয়া বা বিভ্রান্তিকর তথ্য (false claims) পাওয়া গিয়েছিল — যা ২০২৩ সালের (≈১,৯১৫) তুলনায় প্রায় ৫২ % বৃদ্ধি।
🔎 ভুয়া খবরের ধরন ও মাধ্যম
ভুয়া তথ্যের মধ্যে ছিল: টার্কশুক (text-based), ছবি (image-based distortions), এবং ভিডিও-ভিত্তিক বিভ্রান্তি (video-based misinformation)।
২০২৫ সালের মার্চে, ১৪৩ টি ঘটনা ছিল ভিডিও-ভিত্তিক; ১১০ টি ছিল তথ্য-ভুল; এবং ৪৫ টি ছিল ছবি-ভিত্তিক।
সবচেয়ে বেশি ভুয়া খবর ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মে — বিশেষ করে Facebook-এ (সর্বাধিক), এছাড়া X (পুরানো Twitter), YouTube, TikTok, Instagram ইত্যাদিতেও।
শুধু সোশ্যাল মিডিয়া নয় — কখনো কখনো স্থানীয় বা বিদেশি মিডিয়া প্রতিষ্ঠানগুলোর নাম, লোগো, ফর্ম্যাট ব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া খবর ছড়ানো হয়। ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি-রিপোর্টে ৩২টি মিডিয়া (স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক) মিথ্যা/বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য কাজে এসেছে।
🎯 লক্ষ্য এবং উদ্দেশ্য
বেশিরভাগ ভুয়া তথ্য ছিল রাজনৈতিক প্রচার বা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ২০২৫ সালের প্রথম কোয়ার্টারে “রাজনৈতিক বিষয়ে” ভুয়া খবর ছিল প্রায় ৪১ %।
“জাতীয় ইস্যু”, “ধর্মীয় ইস্যু”, “কমিউনাল” বিষয়ও প্রায় নিয়মিত ভুয়া/দুর্নির্দিষ্ট তথ্যের লক্ষ্য।
বিদেশি মিডিয়া এবং বিদেশ-বেসরকারি সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট থেকেও ভুয়া খবর ছড়ানো হয়েছে — যার মধ্যে অনেক সময় communal বা রাজনীতি-ভিত্তিক ভুল তথ্য লক্ষ্য।
📰 মিডিয়া সেক্টরে অস্থিরতা — কি ঘটছে
ভুয়া খবরের পাশাপাশি, সাংবাদিকতা ও মিডিয়া প্রতিষ্ঠানেও গত কিছু সময় ধরেই অস্বস্তিকর পরিবেশ তৈরি হয়েছে:
২০২৫ সালের শুরু থেকে, ৩০টিরও বেশি মিডিয়া সংস্থায় শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃত্ব (chief editors, management, top positions) বদল হয়েছে — ১৬টি টিভি, ১১টি দৈনিক পত্রিকা ও ২টি অনলাইন সংবাদপোর্টালসহ।
একই সময়, প্রায় ১৫০ জন টেলিভিশন সাংবাদিক তাদের চাকরি হারিয়েছে। অনেক সাংবাদিক পত্রিকার উপ-সম্পাদক, সম্পাদক, প্রতিবেদক ইত্যাদি।
এই পরিবর্তন ও চাকরি হারানোর প্রেক্ষিতে, সাংবাদিকরা অনিশ্চয়তায় — অনেকেই চাকরি ছাড়ছেন, বা বিদেশে যাচ্ছেন।
কিছু ক্ষেত্রে “অসঙ্গতি, নিরাপত্তাহীনতা, হয়রানি, হয়রানির ভয়ে ভয়, আত্ম-সদয়তা” বলেও স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক সাংবাদিক সংগঠনগুলো আশঙ্কা প্রকাশ করেছে।
⚠️ কেন এটা বড় সমস্যা
ভুয়া খবর শিশু, রূপকথা বা গুজব নয় — রাজনৈতিক, সামাজিক এবং জাতিগত বিভাজন তৈরি করা, মানুষের মন অবস্থান প্রভাবিত করা, ভুল বোঝাবুঝি, ভয় বা সংকটে ফেলা — এর উদ্দেশ্য। এটি গণতন্ত্র, সামাজিক স্থিরতা, দৃষ্টিকোণ এবং সত্য-তার প্রতি আস্থা ক্ষয় করতে পারে।
মিডিয়া যদি ভয়, উত্থান-পতন, চাকরি-হুমকি, সেলেকশন বা সেন্সরশিপ/নিয়ন্ত্রণের কারণে সৎ সংবাদ দিতে না পারে — তাহলে জনগণের কাছে “নির্ভরযোগ্য সংবাদ” পাওয়া কঠিন হয়। ফলে তথ্যের ঘাটতি এবং ভুল বিশ্বাস আরও বাড়ে।
সাংবাদিকদের চাকরি হারানো বা ভয় বাংলাদেশে সাংবাদিকতার স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নৈতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এটি ভবিষ্যতে investigative journalism, গণতান্ত্রিক ও স্বচ্ছ সংবাদ পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর।